**এমএইচপিমার্ট এফিলিয়েটস: একটি সম্পূর্ণ গাইড**

**এমএইচপিমার্ট এফিলিয়েটস: একটি সম্পূর্ণ গাইড**

Seles & Marketing

এমএইচপিমার্ট এফিলিয়েটস হলো একটি অনলাইন মার্কেটিং প্রোগ্রাম, যার মাধ্যমে ঘরে বসে অবসর সময়ে কাজ করে আয় করা যায়। বাংলাদেশে জনপ্রিয় এই প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে আপনি mhpmart.com-এর বিভিন্ন প্রোডাক্ট প্রমোট করে সফল বিক্রয় করতে পারেন এবং সেই বিক্রয় থেকে কমিশন অর্জন করতে পারেন। এছাড়া মাসিক বিক্রয় লক্ষ্য পূরণে বোনাস পাওয়ার সুবিধাও আছে।


কেন এমএইচপিমার্ট এফিলিয়েটস করবেন?


ঘরে বসে আয়: যেকোনো স্থান থেকে কাজ করা যায়, তাই কর্মস্থলের কোনো বাধা নেই।

পুঁজির প্রয়োজন নেই: কোনো টাকা বিনিয়োগ ছাড়াই শুরু করা যায়।

ফ্লেক্সিবল সময়: নিজের সুবিধামত সময়ে কাজ করতে পারবেন।

বোনাস সুবিধা: মাসিক বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করলে বোনাস পাওয়া যায়, যা আপনার আয় আরও বাড়িয়ে দেয়।

 

**কিভাবে এমএইচপিমার্ট এফিলিয়েটস শুরু করবেন?**


বাংলাদেশে অনলাইন আয়ের একটি সম্ভাবনাময় মাধ্যম হলো এমএইচপিমার্ট এফিলিয়েটস। আপনি সহজেই ঘরে বসে এটি শুরু করতে পারেন।


১. রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া


প্রথমে https://affiliates.mhpmart.com-এ গিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন। রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াটি খুব সহজ; কয়েকটি মৌলিক তথ্য পূরণ করলেই একটি এফিলিয়েট অ্যাকাউন্ট পাবেন।


২. অ্যাকাউন্টে লগইন এবং ব্যবহারের সুবিধা


রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হওয়ার পর এফিলিয়েট একাউন্টে লগইন করুন। এই একাউন্টে আপনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ফিচার দেখতে পাবেন:


 **কমিশন স্ট্রাকচার**: কোন প্রোডাক্টে কত কমিশন পাবেন তার একটি পরিস্কার ধারণা পাবেন।


 **প্রোডাক্ট লিঙ্ক**: আপনার শেয়ার করার জন্য নির্দিষ্ট প্রোডাক্ট লিঙ্ক, যা ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দিতে পারেন।


 **মার্কেটিং টুলস**: সহজেই প্রোডাক্ট প্রমোট করার জন্য ব্যানার, লিঙ্ক এবং বিভিন্ন মার্কেটিং টুলস।


৩. সফলতার জন্য কিছু প্রস্তুতি


এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে ভালো আয় করতে হলে কিছু বিষয়ে দক্ষতা অর্জন প্রয়োজন:


 **এফিলিয়েট মার্কেটিং শিখুন**: অনলাইনে অনেক রিসোর্স রয়েছে যা এফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে সহায়ক হতে পারে।


 **ডিজিটাল মার্কেটিংয়ে দক্ষতা**: ফেসবুক, ইউটিউব, বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কিভাবে পণ্য প্রমোট করা যায়, সেই বিষয়ে ধারণা নিন।


  ৪. সামাজিক মাধ্যমে উপস্থিতি


যদি আপনার একটি ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ, বা ইউটিউব চ্যানেল থাকে, তাহলে সেগুলোকে প্রোডাক্ট প্রমোশনে ব্যবহার করতে পারেন। এগুলোর মাধ্যমে সহজেই বড় সংখ্যক গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো সম্ভব।


কাজ শুরু করতে কত টাকা লাগবে?


এমএইচপিমার্ট এফিলিয়েট প্রোগ্রামে যোগ দিতে কোনো প্রকার অর্থের প্রয়োজন নেই। একদম বিনামূল্যে আপনি এই প্রোগ্রামে যোগ দিতে পারেন এবং আয় শুরু করতে পারেন। অনেকেই ভাবেন যে অনলাইনে আয় করতে হলে কিছু বিনিয়োগ করতে হয়, কিন্তু এমএইচপিমার্টে কোনো ফি ছাড়াই আপনি কাজ শুরু করতে পারবেন।


বাংলাদেশে কেন এটি সুবিধাজনক?


বিনিয়োগ ঝুঁকি নেই: এখানে আপনাকে কোনো টাকা খরচ করতে হবে না, তাই আর্থিক ঝুঁকি নেই।

ঘরে বসে আয়: ঘরে বসে ফ্রি-তে কাজ শুরু করতে পারছেন, যা বিশেষত শিক্ষার্থী, গৃহিণী, এবং চাকরিজীবীদের জন্য সুবিধাজনক।

দক্ষতার ভিত্তিতে আয়: নিজের দক্ষতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে আয় করা সম্ভব, তাই যারা অনলাইন মার্কেটিংয়ের সাথে নতুন তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার সুযোগ।

প্রোডাক্ট লিঙ্ক তৈরি করবেন কিভাবে?


এমএইচপিমার্ট এফিলিয়েট প্রোগ্রামে আয় করতে প্রোডাক্ট লিঙ্ক তৈরি করে তা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে শেয়ার করা গুরুত্বপূর্ণ। নিচে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য সহজভাবে প্রোডাক্ট লিঙ্ক তৈরি ও শেয়ার করার পদ্ধতি তুলে ধরা হলো:


প্রোডাক্ট লিঙ্ক তৈরির ধাপসমূহ:


১. অ্যাকাউন্টে লগইন করুন: প্রথমে আপনার এমএইচপিমার্ট এফিলিয়েট অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।


২. পছন্দের প্রোডাক্ট নির্বাচন করুন: ড্যাশবোর্ড থেকে যে প্রোডাক্টটি প্রমোট করতে চান সেটি নির্বাচন করুন।


এফিলিয়েট লিঙ্ক তৈরি করুন: প্রতিটি প্রোডাক্টের জন্য একটি নির্দিষ্ট এফিলিয়েট লিঙ্ক পাওয়া যাবে। এটি কপি করে সংরক্ষণ করুন।

কিভাবে লিঙ্ক শেয়ার করবেন:


আপনার প্রোডাক্ট লিঙ্কটি বাংলাদেশের বিভিন্ন জনপ্রিয় সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করতে পারেন:


ফেসবুক: আপনার প্রোডাক্ট লিঙ্ক ফেসবুকে পোস্ট, গ্রুপ বা পেজে শেয়ার করতে পারেন।

ইনস্টাগ্রাম: ইনস্টাগ্রাম স্টোরি বা পোস্টের ক্যাপশনে লিঙ্ক শেয়ার করে প্রোডাক্টটি প্রচার করতে পারেন।

ইউটিউব: যদি আপনার ইউটিউব চ্যানেল থাকে, ভিডিও বর্ণনায় (description) লিঙ্কটি যুক্ত করতে পারেন এবং ভিডিওতে পণ্যের বৈশিষ্ট্য তুলে ধরতে পারেন।

নিজস্ব ওয়েবসাইট বা ব্লগ: যদি আপনার একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট থাকে, সেখানে প্রোডাক্ট রিভিউ বা প্রমোশনের জন্য এই লিঙ্কটি ব্যবহার করতে পারেন।

সুবিধা:


প্রোডাক্ট লিঙ্কের মাধ্যমে যখন কেউ এমএইচপিমার্ট থেকে কিছু কিনবে, তখন আপনি নির্দিষ্ট হারে কমিশন পাবেন। সঠিকভাবে প্রোডাক্ট প্রমোট করলে আপনার আয়ও বাড়বে।


প্রমোশন ও মার্কেটিং কৌশল প্রয়োগ কিভাবে করবেন?


বাংলাদেশে এমএইচপিমার্ট এফিলিয়েট প্রোগ্রাম থেকে আয় বাড়ানোর জন্য প্রোডাক্ট প্রমোশন এবং মার্কেটিংয়ের কিছু কার্যকর কৌশল রয়েছে। আপনার শেয়ার করা লিঙ্কের মাধ্যমে গ্রাহক আকর্ষণ করে বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য এই কৌশলগুলো প্রয়োগ করতে পারেন।


১. সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার


বাংলাদেশে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এবং ইউটিউবের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যাপক জনপ্রিয়।


ফেসবুকে প্রোডাক্ট লিঙ্ক বিভিন্ন গ্রুপ, পেজ, এবং পোস্টে শেয়ার করতে পারেন।

ইনস্টাগ্রামে পোস্ট, স্টোরি বা ভিডিও রিলের মাধ্যমে আকর্ষণীয়ভাবে প্রোডাক্ট প্রমোট করুন।

ইউটিউবে পণ্যের উপর ভিডিও রিভিউ তৈরি করে ভিডিওর বর্ণনায় (description) এফিলিয়েট লিঙ্ক যুক্ত করতে পারেন।

২. রিভিউ এবং টিউটোরিয়াল তৈরি করুন


গ্রাহকরা প্রোডাক্টের কার্যকারিতা সম্পর্কে জানতে চায়। এজন্য আপনি:


ভিডিও রিভিউ বা লেখা রিভিউ তৈরি করে প্রোডাক্ট সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরতে পারেন।

টিউটোরিয়াল ভিডিও বানিয়ে দেখাতে পারেন কিভাবে প্রোডাক্টটি ব্যবহার করতে হবে এবং কেন এটি উপকারী।

এভাবে গ্রাহকরা প্রোডাক্টটি কেনার বিষয়ে আরও উৎসাহিত হবে।


৩. ক্যাশব্যাক বা ডিসকাউন্ট অফার প্রচার


যদি এমএইচপিমার্ট থেকে ডিসকাউন্ট বা ক্যাশব্যাক সুবিধা দেওয়া হয়, তাহলে আপনি সেটি প্রচার করে আরও বেশি কাস্টমার আকর্ষণ করতে পারেন।


ডিসকাউন্ট ও ক্যাশব্যাক অফার কাস্টমারদের জন্য বেশ আকর্ষণীয়, কারণ এতে তারা কম খরচে পণ্য কিনতে পারেন।

নিজের প্ল্যাটফর্মে এই অফারের বিষয়ে পোস্ট করে জানিয়ে দিন এবং সেই লিঙ্কের মাধ্যমে বিক্রয় বাড়াতে সহায়তা করুন।

কেন এই কৌশলগুলো গুরুত্বপূর্ণ?


এই ধরনের প্রমোশন ও মার্কেটিং কৌশল প্রয়োগ করলে কাস্টমারের আস্থা বাড়ে, ফলে বিক্রয় ও আয়ও বাড়তে পারে। নিয়মিত আপডেট এবং আকর্ষণীয় কন্টেন্টের মাধ্যমে আপনি দ্রুত সফলতা অর্জন করতে পারেন।


 কমিশন সুবিধা, কমিশন ট্র্যাকিং ও আয় গণনা কিভাবে করবেন?


এমএইচপিমার্ট এফিলিয়েট প্রোগ্রামে আপনার আয় ও কমিশন সুবিধা স্ল্যাব ভিত্তিক, অর্থাৎ আপনার মাসিক বিক্রয় যত বেশি হবে, কমিশন এবং ইনসেনটিভও তত বেশি হবে। এটি বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য একটি সহজ ও আকর্ষণীয় উপায়। এখানে কমিশন ও আয়ের বিস্তারিত কাঠামো তুলে ধরা হলো।


কমিশন সুবিধা:


এমএইচপিমার্ট এফিলিয়েট প্রোগ্রামে কমিশন প্রাপ্তি স্ল্যাব অনুযায়ী নির্ধারিত হয়:


স্ল্যাব–১: ৫০০০ – ৫০,০০০ টাকা বিক্রয়ে কমিশন ৫%।

স্ল্যাব–২: ৫১,০০০ – ৯৯,০০০ টাকা বিক্রয়ে কমিশন ৫% এবং ০.৫০% ইনসেনটিভ।

স্ল্যাব–৩: ১,০০০০০ – ১,৯৯,০০০ টাকা বিক্রয়ে কমিশন ৫% এবং ১% ইনসেনটিভ।

স্ল্যাব–৪: ২,০০০০০ – ২,৯৯,০০০ টাকা বিক্রয়ে কমিশন ৫% এবং ১.৫০% ইনসেনটিভ।

স্ল্যাব–৫: ৩,০০০০০ – ৩,৯৯,০০০ টাকা বিক্রয়ে কমিশন ৫% এবং ২% ইনসেনটিভ।

স্ল্যাব–৬: ৪,০০০০০ – ৪,৯৯,০০০ টাকা বিক্রয়ে কমিশন ৫% এবং ২.৫০% ইনসেনটিভ।

স্ল্যাব–৭: ৫,০০,০০০ – ৫,৯৯,০০০ টাকা বিক্রয়ে কমিশন ৫% এবং ৩% ইনসেনটিভ।

স্ল্যাব–৮: ৬,০০,০০০ – ৬,৯৯,০০০ টাকা বিক্রয়ে কমিশন ৫% এবং৩.৫০% ইনসেনটিভ।

স্ল্যাব–৯: ৭০০,০০০ – ৭৯৯,০০০ টাকা বিক্রয়ে কমিশন ৫% এবং ৪% ইনসেনটিভ।

স্ল্যাব-১০: ৮০০,০০০ -৮৯৯,০০০ টাকা বিক্রয়ে কমিশন ৫% এবং ৪.৫০% ইনসেনটিভ।

স্ল্যাব-১১: ৯০০,০০০ – ৯৯৯,০০০ টাকা বিক্রয়ে কমিশন ৫% এবং ৫% ইনসেনটিভ।

প্রতি মাসের ১ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে কমিশন প্রদান করা হয়, যা আপনার নিয়মিত আয়ের সঠিক সময়ে নিশ্চিত করে।


কমিশন ট্র্যাকিং প্রক্রিয়া


এমএইচপিমার্ট এফিলিয়েট ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে সহজেই ক্লিক, বিক্রি এবং কমিশনের পরিসংখ্যান পর্যবেক্ষণ করা যায়। এই পরিসংখ্যানগুলির মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কোন প্রোডাক্টগুলো বেশি বিক্রি হচ্ছে এবং আয় কীভাবে বাড়ানো যায়।


পেমেন্ট অপশন


বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এমএইচপিমার্ট কমিশন প্রদান করার জন্য বিভিন্ন সুবিধাজনক পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করে:


ব্যাংক ট্রান্সফার

মোবাইল ব্যাংকিং: বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি জনপ্রিয় মাধ্যম ব্যবহার করে কমিশন উত্তোলন করতে পারবেন।

নিয়ম–কানুন এবং শর্তাবলী মেনে চলুন


এমএইচপিমার্ট এফিলিয়েট প্রোগ্রামে সফল হতে হলে নিয়ম-কানুন এবং শর্তাবলী মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এফিলিয়েট হিসাবে কাজ করার সময় সততা এবং পণ্যের সঠিক তথ্য প্রদানে যত্নবান হতে হবে, যা ক্রেতাদের মধ্যে আস্থা তৈরি করে।


শর্তাবলী অনুসরণ


এমএইচপিমার্টের এফিলিয়েট প্রোগ্রামে অংশ নিতে ও আয় করতে হলে কোম্পানির শর্তাবলী মেনে চলতে হবে। নিয়মগুলো অনুসরণ করলে আপনার অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত থাকবে এবং আপনি সময়মতো কমিশনও পেতে পারবেন।


সততা বজায় রাখুন


প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপনে সঠিক তথ্য প্রদান করুন এবং অতিরঞ্জিত দাবি এড়িয়ে চলুন। পণ্যের কার্যকারিতা এবং গুণগত মান সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য দিয়ে গ্রাহকদের কাছে পণ্যের সত্যিকারের মূল্য তুলে ধরুন। এটি গ্রাহকদের আস্থা বৃদ্ধি করে এবং দীর্ঘমেয়াদে আপনার আয় বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।


সঠিক মার্কেটিং কৌশল ব্যবহার করুন


বাজার এবং ক্রেতাদের আগ্রহ বুঝে সঠিকভাবে প্রোডাক্ট প্রমোশন করুন। সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ বা ইউটিউব চ্যানেলে প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন দিতে পারেন, তবে অবশ্যই সঠিক তথ্য প্রদান করতে হবে।


কেন নিয়ম–কানুন মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ?


বাংলাদেশে এফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে আস্থার বিষয়টি খুব গুরুত্বপূর্ণ, তাই নিয়ম মেনে কাজ করলে কাস্টমারদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায় এবং আয় বৃদ্ধি পায়।


এভাবে, এমএইচপিমার্ট এফিলিয়েট প্রোগ্রামের নিয়ম অনুসরণ করে আপনি সহজেই আস্থা অর্জন করতে পারবেন এবং দীর্ঘমেয়াদে সফলতা পাবেন।